ডানকুনি হোটেল থেকে মৃতদেহ উদ্ধার লিলুয়ার গৃহবধূর

সোমনাথ পোল্ল্যে :- লিলুয়া থানার ভট্টনগর গোলবাড়ি দুর্গামন্দির এলাকার বাসিন্দা পিঙ্কি বারিক ।
৮ মে বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ একমাসের ছেলেকে নিয়ে বের হয় স্কিন এর ডাক্তার দেখানোর নাম করে জয়সওয়াল হসপিটালের উদ্দেশ্যে । স্বামী সাগর বারিক কে জানিয়ে যায় বিকেল সাড়ে পাঁচ টার মধ্যে সে বাড়ি ফিরবে । কিন্তু রাত বাড়তে থাকায় সে বাড়ি না ফিরলে বাড়ির লোক চিন্তায় পড়ে । তার সাথে যোগাযোগের চেষ্টা চালানো হয় । কিন্তু তাকে বিকেল থেকে ফোন করেও তার মোবাইল বার বার বন্ধ পাওয়া যায় । এদিন রাত ১০ টায় ডানকুনি থানা থেকে খবর পাওয়া যায় যে,ডানকুনির কোনো এক হটেলে একটি গৃহবধূর মৃতদেহ পাওয়া গেছে,তাকে কেউ গলায় ফাঁস দিয়ে খুন করেছে ও সারা মুখে রক্ত লেগে । ডানকুনি থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে সেই মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং মৃতদেহর কাছ থেকে তার নিজস্ব পরিচয় পত্র আধার কার্ড পাওয়া যায় ।
আধার কার্ড দেখে জানতে পারে ওই অজ্ঞাত বছর একুশের গৃহবধূর নামই পিঙ্কি বারিক । সে লিলুয়ার বাসিন্দা । তারপর ডানকুনি থানা,লিলুয়া থানাকে এই খবর দেয় যে,রাত ১০ টায় ডানকুনি এলাকার কোনো একটি হটেলে পিঙ্কি বারিক খুন হয়েছে । কিন্তু তার ১ মাসের শিশু পুত্রের কোনো হদিশ পুলিশ এখন পায়নি ।
কে বা কারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে সেই নিয়ে পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্তে নেমেছে ।
পিঙ্কি বারিকের স্বামী সাগর বারিক বলে তার স্ত্রী কোনো অবৈধ্য সম্পর্কে জড়িত নয় । তার বক্তব্য যে বা যারা এই ঘৃণ্য কাজ করেছে তাদের যেন চরম শাস্তি হয় এবং পুলিশ যাতে অবশ্যই তার একমাসের পুত্র সন্তান কে খুঁজে বের করে তার কাছে পৌঁছে দেয় । ইতিমধ্যেই পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে । কিন্তু এই ঘটনায় মাতৃহারা হলো পিঙ্কি বারিকের দুই পুত্রসন্তান । যার মধ্যে ছোট ছেলে ১ মাসের আর বড়ো ছেলে ৫ বছরের ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।